বর্ণনা
এড-জিংক Ad-Zinc
এড-জিংক (চিলেটেড জিংক)
(জিংক এর মাত্রা ন্যূনতম ১০%)
প্রকৃত পরিমাণ: ১০০ গ্রাম
ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্যাকেটের নির্দেশনাবলী ভালোভাবে পড়ে নিন।
এড-জিংক Ad-Zinc (চিলেটেড জিংক) এ জিংক এর মাত্রা ১০% বিদ্যমান, যা গাছের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি পুষ্টি উপাদান। মাটিতে জিংক এর ঘাটতি পূরণ করতে এবং ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এড-জিংক ব্যবহার করা হয়।
জিংকের ঘাটতির লক্ষণ:
- গাছের পাতা ছোট ও বিকৃত হয়ে যায়
- পাতায় সাদা বা হলুদ দাগ দেখা যায়
- পাতার শিরার মাঝে বিবর্ণতা দেখা যায়
- গাছের বৃদ্ধি কমে যায়
- ফলন কম হয়
জিংকের কার্যকারিতা:
জিংক উদ্ভিদের বিভিন্ন এনজাইম তৈরিতে সহায়তা করে এবং হরমোন উৎপাদনে ভূমিকা রাখে। এটি গাছের বৃদ্ধি, ফুল, ফল এবং দানার গঠন উন্নত করে। গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
প্রয়োগ ক্ষেত্র
এড-জিংক Ad-Zinc (চিলেটেড জিংক) ধান, গম, ভুট্টা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, কলা, আম, শাকসবজি, ডাল জাতীয় ফসলসহ প্রায় সব ধরনের ফসলে ব্যবহার করা যায়।
প্রয়োগ পদ্ধতি
- প্রতি ১ একর জমিতে ৫০ গ্রাম এড-জিংক (চিলেটেড জিংক) সমপরিমাণ পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
উপকারিতা:
আমাদের দেশের অধিকাংশ জাতের আম গাছে একটি বৈশিষ্ট্য হলো এক বছর ফল দেয়ার পরের বছর ফল কম দেয়। একে অফ ইয়ার ফলন বলা হয়। এই সমস্যার সমাধানে এআই-টার একটি অত্যন্ত কার্যকরী ফলদায়ক উপাদান, যা আম গাছের বৃদ্ধিকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং ফলন বৃদ্ধি করে। গাছে প্রতি বছর ফল ধরাতে সাহায্য করে। এটি গাছের অতিরিক্ত বৃদ্ধি কমিয়ে গাছে পুষ্টির সুষম বন্টন নিশ্চিত করে।
সতর্কতা ও সাবধানতা
- সাধারণত ১২ বছরের কম বয়সী গাছে ব্যবহার করা উচিত নয়।
- অতি বেশি বা কম প্রয়োগ করলে ফলন কমে যেতে পারে।
- নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবহার করতে হবে।
- শিশুদের নাগালের বাইরে রাখতে হবে।
রেজিস্ট্রেশন নং: আইএমপি-৮৬৬২
উৎপাদক প্রতিষ্ঠান
Chico Crop Science Co. Ltd., China
বাংলাদেশ ফ্যাক্টরি:
জহুরচান্দা, আশুলিয়া, সাভার, ঢাকা।
বালাইনাশকের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।



